এলপিজির দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
বাজার পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক মূল্যসহ সামগ্রিক বাস্তবতা বিবেচনায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য সমন্বয় করতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন নিয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তথ্য উপদেষ্টা।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এলপিজির মূল্য সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে সরকার। তবে নির্ধারিত দামেও এলপিজি না পেলে নজরদারি বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধভাবে এলপিজি মজুতের বিরুদ্ধে জরিমানা জোরদার করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি, কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং অবৈধ মজুতের মতো অনিয়ম ঠেকাতে মাঠ প্রশাসনকে আরও সক্রিয় করা হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্যসহায়তার পরিমাণও বাড়িয়েছে সরকার। এতদিন উপকারভোগীদের ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও এখন থেকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিজিএফ কার্যক্রমের আওতায় ১০ কেজি চালের জায়গায় এখন থেকে ২০ কেজি চাল দেওয়া হবে।’
সরকারের এ সিদ্ধান্তে নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্যসহায়তা বাড়বে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে ভিজিএফের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে।



